Depression
মানুষকে কখনো কখনো অনেক চাপ সহ্য করতে হয়। সেই চাপ মোকাবেলা করে তার জন্য এগিয়ে যাওয়া অনেক দুষ্কর হয়ে পড়ে।
আমি জানি আজ আমি যা লিখতে চেয়েছি তার বিন্দুমাত্রও লিখতে পারবো না।
কারণ, আমার তা লেখার মানসিকতা বা সাহস কোনটাই নেই। তারপরও লিখে যাচ্ছি।
কারণ, আমি বাঁচতে চাই।
আজকের ঘটনা।
লোকটা এক দোকানে চাকরি করে। মাসে বেতন মিনিমাম ১০হাজার। সে সবসময় তার সেরাটা দেয়ার চেষ্টাই করে। একদিন সেই দোকানে মালিকের ছেলের আগমন ঘটল। মালিকের ছেলেকে যতটা তমীয করার সে করলো। মালিকের ছেলে মূলত গিয়েছিল তার কাজে সহায়তা করতে। কিন্তু দোকানদার বিন্দুমাত্র সাহায্য নিতে নারাজ। মালিকের ছেলে বলে কথা। তারপরও ছেলেটা চেষ্টা করে।
ছেলেটার মেজায গরম হয়ে যায় যখন দেখে তার একটা কাজও সেই চাকুরিজীবির পছন্দ হয় না। সহযোগীতার জন্য মালিকের ছেলে যাই করে তা আবার তাকে করতে হয়। তাই বলে মালিকের ছেলে হাত গুটিয়ে নেয় না।
সেদিনের কথা। মালিকের ছেলেকে ফোন দিল একজন বড় আলেম। তার কাছে সাহায্য চেয়েছিল এই ছেলেটি। সেই আলেম ফোন দিয়ে জানতে চাইলো- সাহায্য নিতে সে প্রস্তুতি নিয়েছে কিনা।
ছেলেটি একটু আগ্রহ করেই তাকে জবাব দিতে যাচ্ছিল।
কিন্তু হঠাৎ মালিকের আগমন। ছন্দপতন। তারপর কিছু অঘটন। তারপর এই ডিপ্রেশন।
এই লেখা মালিকের কাছে কোন একভাবে পৌছবে। তাই তাকেও বলে রাখা দরকার- এই লেখাটি শুধুই আত্মার প্রশান্তির জন্য।
অনেকে আছে মন খুলে সব জায়গায় কথা বলতে পারে না। অনেক কথার আসলে উত্তর দেয়াও উচিৎ না। তাই সব মিলিয়ে চুপ থাকাটাই শ্রেয় হয় কখনো কখনো।
কিন্তু সেই চুপ থাকা যে মানসিক অশান্তির সৃষ্টি করতে পারে কারো মন ভেঙে খান খান করে দিতে পারে তা অবশ্য অনেকেই জানবে না। বা না জানার ভান ধরে চুপ থাকবে। তাদের বিরুদ্ধে এই অভাগার কিচ্ছু বলার বলার নেই।
সবশেষে ধন্যবাদ জানাই গুগলকে। তারা আমার জন্য এত সুন্দর একটা লেখার প্লেস তৈরি করে দিয়েছেন।
আমি ইনশাআল্লাহ খোলামেলা বাতচিত শিরোনামে মাঝে মাঝে আবোলতাবোল লিখে যাব।
পরে কখনো সাজানো সুযোগ হলে তা সাজাবোও।
কেউ আমাকে বা আমার লেখাকে অনুসরণ করতে চাইলেএই পতিক্রিয়ায় আগাতে পারেন। অনেকদূর আগাতে পারবেন। ইনশাআল্লাহ।
আমি জানি আজ আমি যা লিখতে চেয়েছি তার বিন্দুমাত্রও লিখতে পারবো না।
কারণ, আমার তা লেখার মানসিকতা বা সাহস কোনটাই নেই। তারপরও লিখে যাচ্ছি।
কারণ, আমি বাঁচতে চাই।
আজকের ঘটনা।
লোকটা এক দোকানে চাকরি করে। মাসে বেতন মিনিমাম ১০হাজার। সে সবসময় তার সেরাটা দেয়ার চেষ্টাই করে। একদিন সেই দোকানে মালিকের ছেলের আগমন ঘটল। মালিকের ছেলেকে যতটা তমীয করার সে করলো। মালিকের ছেলে মূলত গিয়েছিল তার কাজে সহায়তা করতে। কিন্তু দোকানদার বিন্দুমাত্র সাহায্য নিতে নারাজ। মালিকের ছেলে বলে কথা। তারপরও ছেলেটা চেষ্টা করে।
ছেলেটার মেজায গরম হয়ে যায় যখন দেখে তার একটা কাজও সেই চাকুরিজীবির পছন্দ হয় না। সহযোগীতার জন্য মালিকের ছেলে যাই করে তা আবার তাকে করতে হয়। তাই বলে মালিকের ছেলে হাত গুটিয়ে নেয় না।
সেদিনের কথা। মালিকের ছেলেকে ফোন দিল একজন বড় আলেম। তার কাছে সাহায্য চেয়েছিল এই ছেলেটি। সেই আলেম ফোন দিয়ে জানতে চাইলো- সাহায্য নিতে সে প্রস্তুতি নিয়েছে কিনা।
ছেলেটি একটু আগ্রহ করেই তাকে জবাব দিতে যাচ্ছিল।
কিন্তু হঠাৎ মালিকের আগমন। ছন্দপতন। তারপর কিছু অঘটন। তারপর এই ডিপ্রেশন।
এই লেখা মালিকের কাছে কোন একভাবে পৌছবে। তাই তাকেও বলে রাখা দরকার- এই লেখাটি শুধুই আত্মার প্রশান্তির জন্য।
অনেকে আছে মন খুলে সব জায়গায় কথা বলতে পারে না। অনেক কথার আসলে উত্তর দেয়াও উচিৎ না। তাই সব মিলিয়ে চুপ থাকাটাই শ্রেয় হয় কখনো কখনো।
কিন্তু সেই চুপ থাকা যে মানসিক অশান্তির সৃষ্টি করতে পারে কারো মন ভেঙে খান খান করে দিতে পারে তা অবশ্য অনেকেই জানবে না। বা না জানার ভান ধরে চুপ থাকবে। তাদের বিরুদ্ধে এই অভাগার কিচ্ছু বলার বলার নেই।
সবশেষে ধন্যবাদ জানাই গুগলকে। তারা আমার জন্য এত সুন্দর একটা লেখার প্লেস তৈরি করে দিয়েছেন।
আমি ইনশাআল্লাহ খোলামেলা বাতচিত শিরোনামে মাঝে মাঝে আবোলতাবোল লিখে যাব।
পরে কখনো সাজানো সুযোগ হলে তা সাজাবোও।
কেউ আমাকে বা আমার লেখাকে অনুসরণ করতে চাইলেএই পতিক্রিয়ায় আগাতে পারেন। অনেকদূর আগাতে পারবেন। ইনশাআল্লাহ।
Comments
Post a Comment